Friday, 13 March 2026

মাস্টার আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংসদ প্রতিষ্ঠা/১৯৯৫

 ৩১ বৎসরের পথচলা সবসময় মশৃণ ছিলো এমন দাবী কোন সামাজিক সংস্থা করবে না।

১৯৯৫ সালের এই দিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো স্বেচ্ছাসেবি সমাজ কল্যাণ সংস্থা “ মাস্টার আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংসদ”
তখনকার সমাজ ব্যবস্থার, সমাজ সেবকদের নেতৃত্বদানকারী সন্দ্বীপের বিভিন্ন অঞ্চলের গুনীজনদের অনুপ্রেরণায় বিশেষ করে কালাপানিয়াইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সুফিয়ান সহেব এবং মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাফিজুর রহমান সাহেবের অনুপ্রেরণায় সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মরহুম মাঃ শাহাদাত হোসেন বাহার এবং বিশেষত: বাউরিয়া জিকে উচ্চবিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক মাস্টার এ.কে.এম নুরছাপা সাহেবের উদ্যোগে উত্তর সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মরহুম মৌলভী মোদাচ্ছের আহমেদ, মো: ছাইদুর রহমান, আব্দুল মন্না

ন মেম্বার, মরহুম রুহুল আমিন মেম্বার, মরহুম মীর রুহুল আমিন, ফয়জুল করিম মেম্বার, মরহুম জুলফিকার হোসেন ডিপটি, মরহুম ইসকান্দর হোসেন, মরহুম রফিকুল হক আসাদ উল্ল্যাহ, মরহুম গিয়াস উদ্দিন কোম্পাণী, মরহুম মাস্টার মো: আব্দুল্লা, মাস্টার আবুল বসার, মাস্টার মোয়াজ্জেম হোসেন, মো: হুমায়ুন কবির, মরহুম মাস্টার গোলাম সারোয়ার (আব্দুল হাই), মরহুম আব্দুল হাই নেতা, মরহুম ভেনু সাহেব, মরহুম হাজী মো: ইসহাক, মরহুম আব্দুল বাতেন সেরাং, কামাল উদ্দিন মেম্বার, মরহুম মা: আফলাতুন হোসেন, মা: নুর উ

www.anwartrust.blogspot.comদ্দিন, এমরান হোসেন, ইদ্রিছ মাঝি, কামাল মাঝি, স্বর্গীয় ডা. বীরেন্দ্র কুমার রায় (ভানু) সহ (এই তালিকাটি অসম্পূর্ন , সংস্তার প্রাথঞমিক কাগজপত্র মোতাবেক নেওয়া)সন্দ্বীপের উত্তরাঞ্চলের অগনিত ভালো মনের মানুষ সমাজ সেবার মহান আদর্শে অনুপ্রণিত হয়ে অনন্য সমাজ সংস্কারক মাস্টার আনোয়ার হোসেন সাহেবের নামানুসারে একটি স্বেচ্ছাসেবি সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা প্রতিষ্ঠার মানসে ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে ঐক্যবদ্ধ হন। সন্তোষপুরের তৎকালীন চেয়ারম্যান মাকছুদের রহমান ফুলমিয়া সকলের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করলে সকলে মিলে ফেব্রুয়ারি/১৯৯৫ এর ২১ তারিখ রোজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় একটি সাধারন সভার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে এই সংস্থা গঠিত হয়। ...... (চলমান)
মহান ভাষা শহীদদের স্মৃতিময় আজকের এই দিনে আমাদের সকল কর্মকর্তা, সদস্য, সহযোগী ও অঙ্গ সংস্থা, শুভানুধ্যায়ী ও প্রিয় ফেসবুক বন্ধুদেরকে জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

Wednesday, 16 October 2024

আনোয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অসুস্থ হওয়ার কয়েকদিন আগে অর্থাৎ ০৪/০৩/২০২৩ তারিখ মাস্টার আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংসদের ২৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বক্তব্য প্রদান কালে।

 

আনোয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অসুস্থ হওয়ার কয়েকদিন আগে অর্থাৎ ০৪/০৩/২০২৩ তারিখ মাস্টার আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংসদের ২৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বক্তব্য প্রদান কালে বলেন শিক্ষা সংস্কৃতি ও সার্বিক সামাজিক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রায় তিন যুগ ধরে সংস্থাটির কার্যক্রমে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশগ্রহন অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।

Thursday, 11 May 2023

একজন একাকী ব্যাক্তির উপলব্ধি।

 হ্যাঁ, জীবনে ভূল আছে সেটা আমি হায়াত থাকলে শুধরিয়ে নেবার সুযোগ আছে।

 সেগুলোর অন্যতম হলো অতি আবেগ, ক্রোধ, দাম্ভিকতা, নিজের আবশ্যিক স্বার্থকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যের স্বার্থে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। 

যখন যাকে ভালোবেসেছি নিজের চেয়ে নিজের মা-ভাই-বোন, নিজের স্ত্রী সন্তানের চেয়ে বেশি অন্ধভাবে তার বা তাদের জন্য সব করেছি, তাদের জন্য অন্যকে ক্রোধ-দাম্ভিকতা দেখিয়েছি। যেসব ছিলো ভূলের চাইতে ভূল অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ করেছি। কিন্তু যে বা যাদের জন্য সব করলাম তারা প্রতিদান হিসাবে যা কিচু আমার সাতে করলো তা সবাই জানেন।

 ধর কেউ আমার একমাত্র পছন্দের নেতাকে কটাক্ষ করে বিশ্রি ভাষায় গালি দিয়েছে শুনলে তাকে আমি ধমক দিয়েছি, পাল্টা কিছু বললে আরো বেশি ধমকিয়েছি, কিন্ত সে বা তারা আমা যেগুলোর কোনটাই আমার ব্যক্তি বা নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য নয়। 

আমার নিজের ব্যাক্তিস্বার্থে কাউকে আপনি থেকে তুমি বলার চেস্টা করিনাই। অন্তরের মালিক আল্লাহকে নিজে, চুড়ান্ত বিচারক ও একমাত্র আল্লাহ।  আমি আল্লাহর উপর ভরসায় বেঁচে আছি, শক্তিশালী আছি। নিজেকে চেনার সুযোগ পেয়েছি।

আমি যখন যাকে পছন্দ করেছি শুধু তাকেই পছন্দ করেছি। তাকে সবাই অপছন্দ করলেও আমি অপছন্দ করিনাই। তাকে সবাই ত্যাগ করলেও আমি ত্যাগ করিনাই। যাকে ভালোবেসেছি বিশ্বাস করেছি জীবনের  দিয়ে মনেপ্রাণে ভালোবেসেছি বিশ্বাস করেছি। বিনিময়ে কি পেয়েছি।  প্রতিদানের কথা কখনো ভাবিনাই । 

তাই না পাওয়ার বেদনা আমাকে কষ্ট দেবে তা চাই না।

আমি জীবনে ধুমপান করিনাই। মদ পান করিনাই,  গাঁজা মাদক আমি চিনি না। আজ পর্যন্ত তাস এর ফোটা চিনি না। কাউকে ফাঁকি দিয়ে  টাকা আয় করিনাই। কারো টাকা বা সম্পদ মেরে খাওয়া তো দুরের কথা কারো থেকে পারত পক্ষে হাওলাত পর্যন্ত করিনাই।  কর্জ ইদানীং করতে হয়েছে জীবন বাঁচানোর তাগিদে।  আমি সেটা বড় খাতায় লিখে রেখেছি। সুতরাং আমার কোন দুশ্চিন্তার কারন নাই। মন খারাপ করার দরকার নাই।

Monday, 10 October 2022

মাদক মানবতাকে বিপর্যস্ত করে।

 মাদক নামক এক ভয়াল আগ্রাসী নেশা ধীরে ধীরে খেয়ে ফেলছে আমাদের প্রজন্মকে। মাদকের ভয়ানক আসক্তি সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে দীর্ঘমেয়াদে নৈতিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে কিংবা ভবিষ্যতেও ঘটাবে। সাধারণত ইয়াবা, ফেনসিডিল, হেরোইন, প্যাথেডিন, আফিম, মদ, গাঁজা ও ভাংসহ বিভিন্ন নামে বিভিন্নরূপে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলছে।

নেশাখোর দিন দিন শীর্ণকায় হয়ে যায়, হাত-পা দুর্বল, খিদে কম, কাজকর্ম করার মতো শারীরিক ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। কিডনি, লিভার, হার্ট বিনষ্ট হয়ে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে তারুণ্য জীবনের মাঝপথেই। গাঁজা, ভাং, ইয়াবা ধরনের মাদক জীবন নিঃশেষ করে দেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন মারাত্মক নেশাজাতীয় দ্রব্য। নেশা ধরায় আরও অনেক রকমের মাদক, হেরোইন, ফেনসিডিল, অ্যালকোহল, তামাকজাত দ্রব্য (জর্দা, গুল, সাদাপাতা) এবং নামে-বেনামে আরও অনেক মাদক। মিয়ানমারের নির্জন পাহাড়ের ঘন অরণ্যের ভেতরে 'গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল' নামক এলাকা ইয়াবা ব্যবসায়ের কেন্দ্রবিন্দু। দেশটির সরকার নিজের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বৃদ্ধির লোভে এ জঘন্য ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মাদক আরও আসে আফগানিস্তান থেকে। ব্রিটিশরা কয়েক শতাব্দী আগেই বিভিন্ন প্রকার মাদক অবিভক্ত ভারত উপমহাদেশে প্রচলন করে দিয়েছিল যাতে প্রজারা রাজার বিরুদ্ধে আন্দোলন করার মতো শক্তি হারিয়ে ফেলে, যেন মাদকাশক্ত হয়ে সারা দিনরাত ঝিম মেরে পড়ে থাকে। বাংলাদেশের কিশোর-কিশোরী-তরুণ-তরুণীদের একটা অংশ ডুবে যাচ্ছে মাদকে, হারিয়ে ফেলছে জীবনীশক্তি। অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে সমাজজীবনে। মাদকসেবীরা কোথাও কোথাও ভাইকে, মাকে, স্ত্রীকে, বাবাকে পর্যন্ত খুন করছে নেশার ঘোরে কিংবা মাদক কেনার টাকার জন্য। কলেজ ছাত্রী ঐশীর কথা নিশ্চয়ই কেউ ভুলে যায়নি, যে মেয়েটি নেশার কারণেই বাবা-মাকে হত্যা করে।
তাই, পরিবার থেকে সচেতনতা শুরু করার বিকল্প নাই। সন্তানদের সঙ্গে পারিবারিক বন্ধন বাড়াতেই হবে। দেশব্যাপী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। এ অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে সরকারের পাশাপশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রজন্ম বাঁচলে জাতি বাঁচবে।











Friday, 16 September 2022

সিগারেটকে জ্বালাতে গিয়ে জ্বলছেন আপনি বুঝতে পারেন নাই।

 সিগারেটকে জ্বালাতে গিয়ে জ্বলছেন আপনি বুঝতে পারেন নাই। আরো জ্বলে শেষ হবেন কিচ্ছু করার নাই।

https://youtu.be/NTkAzxJBLRI

Tuesday, 16 August 2022

মাস্টার াানোয়ার হোসেন এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আনোয়ার ট্রাস্ট চেয়ারম্যান আনোয়ার আশরাফ এর স্মৃতিচারণ।

 সেদিন ছিলো ১৫ আগস্ট ভোর রাত ৪.০০ টা ১৯৮৯ সাল। রাত প্রায় ৩.০০ টার সময় নুরছাফা কাকা (আমার ভাতিজা এবং রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গুরু) বাবার কাছ থেকে শেষ বিদায় নিয়ে বাড়ী ফেরার সময় আমাকে বললেন সতর্ক ও শক্ত হও সবকিছু তোমাকেই মেনে নিয়ে সামলাতে হবে। তখনও গুনাক্ষরেও বুঝতে পারিনি যে মাত্র ১ ঘন্টার মাথায় আমি এতিম বনে যাবো।

নুরছাফা

কাকা বিদায় নেবার পর আমি বাবার কাছে গেলাম। আমার মেঝো দুলাভাই এবং আম্মা সেখানে বরাবরের মত সেবা যত্নের দায়িত্বে আছেন। এক পর্যায়ে বাবার জন্য পানি গরম করতে আম্মা রান্নাঘরে গেলে আমি বাবার পাশে গিয়ে বসি। বাবা দক্ষিন বারান্দায় ছিলেন, কেমন যেন মনে হলো বাবার পায়ের কাছে পিপড়া জাতীয় কিছু একটা হাটছে, আমি পায়ের কাছে গেলাম হারিকেন এর সাহায্যে পিপড়া খোঁজাখুজি করে কিছুই পেলাম না। সে সময় হঠাৎ বাবা চোখ মেলেন। মেঝো দুলাভাই জিজ্ঞেস করলেন আব্বা কিছু বলবেন? বাবা কিছু না বলে আমার দিকে তাকালেন আমি উঠে দাঁড়ালাম নিমিষেই বাবা ডান হাত উপরে তুলে কলেমা পড়লেন। আমার দিকে তাকিয়ে আল্লাহ শব্দটি উচ্চারণ করলেন। মনে হলো আরো কিছু বলবেন কিন্তু মেঝো দুলাভাই বলে উঠলেন আব্বা আর নেই, উনি সেরে গেছেন........
মানুষের মৃত্যু এত সহজ স্বাভাবিক হতে পারে প্রথম চোখের সামনে দেখলাম। নিমিষেই বাবা না ফেরার দেশে চলে গেলেন... সে থেকে আমি পিতৃহারা। আমি এতিম। আমি নিঃস্ব।
আমার শিশু কাল থেকে কখনো বাবাকে অসুস্থ হতে দেখিনি। আমার উচ্চ মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষার কয়েকদিন পরে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চট্টগ্রাম শহরে চিকিৎসার জন্য নুরছাফা কাকা ও মেঝো দুলাভাই কে সাথে নিয়ে গিয়েছিলেন। আমি সাথে যাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করলাম, কান্নাকাটিও করলাম, সেদিন আমাকে শান্তনা দিয়ে বাবা যে কয়টি কথা বললেন তাহা আজীবন আমার পাথেয় হয়ে থাকুক।
বাবা বলেছিলেন তুমি আমার বড় ছেলে তুমি যদি কান্নাকাটি কর ছোটরা কি করবে, তোমার বোন তারা, ছোটভাই আবসার ওরা কি করবে।ওদের কথা মনে রেখে হলেও কান্না থামাও। আরিফ তো এখনো শিশু, সে আজো ভালোভাবে জানেনা বাবা কাকে বলে। তুমিতো আমার অনেক সান্নিধ্য পেয়েছো, আমরা একসাথে খেয়েছি, টুকিটাকি কাজ করেছি, বাজার করেছি, নোয়াখালী কোম্পানি গঞ্জ (বালুরচর), চট্টগ্রাম শহর, সুফি শাহ্ হুজুরের দরগাহে গিয়েছি, খেলাধুলা নাটক এমনকি হলে গিয়ে সিনেমা পর্যন্ত একসাথে দেখেছি। বাকিরা তো কোন কিছুর সুযোগও পেলো না। এখন তুমি ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিলেই বাবা সুস্থ হয়ে যাবো, তোমার লেখাপড়াই আমার সুচিকিৎসা।
রিক্সায় উঠে গেলেন বাবা, আমরা পিছনে হাটছিলাম। নোয়াবাড়ীর (টিপু সুলতানের বাড়ী) সামনে দিয়ে যেতেই হঠাত রিক্সা থামালেন, ইশারায় কাছে ডাকলেন আমাকে। জীবনে প্রথমবারের মত দেখলাম বাবার চোখ থেকে অঝোরে পানি ঝরছে। আমার কাঁধে হাত রেখে বললেন তোমার বড় একটি বোন পঙ্গু, বাবা হয়ে তাকে সুস্থ দেখে যেতে পারলাম না, আর তোমার বুবুজান-দিদি, তাদের নিজের মায়ের পেটের একটা ভাই ও নাই। আমার বিশ্বাস তুমি তাদের সে দুঃখ মুছে দিবে। এই বলে আমার গায়ে হাত বুলিয়ে দিয়ে বাবা বাড়ি ফিরতে বললেন।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতাল, চন্দ্রঘোনা মিশনারী হাসপাতালেও বাবার চিকিৎসা হলো। অবস্থার তেমন কোন পরিবর্তন হলো না। আসলে মরন ব্যাধি পেয়ে বসেছিলো বাবাকে।
আমি ফাইনাল পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরলে বাবা জিজ্ঞেস করলেন "বাবাজান তোমার পরীক্ষা কেমন হলো" আমি বললাম ভালো হয়েছে আব্বা। জিজ্ঞেস করলেন তোমার ক্লাসমেটদের বাবারা পরীক্ষার সময় দেখাশোনা করতে গিয়েছিলো, না?
আমি বললাম হ্যাঁ। অনেকের বাবা, গার্ডিয়ানরা গিয়েছিল। বাবা দুঃখ করে বললেন আমি এমন এক হতভাগ্য পিতা একবারের জন্য ও তোমাকে দেখতে যেতে পারলাম না।
তবে বিশ্বাস আছে আমার ছেলের পরীক্ষা অন্তত খারাপ হতে পারে না।
পরীক্ষার ফলাফল ঘোষনার কিছুদিন আগেই বাবাকে চিরতরে হারিয়ে ফেললাম, আমি ভালো রেজাল্ট করলাম কিন্তু আফসোস বাবা আমার পাশের খবরটা পর্যন্ত জেনে যেতে পারলেন না।

Sunday, 31 July 2022

সমাজ সংস্কারক মাস্টার আনোয়ার হোসেন।

 সমাজ সংস্কারক মাস্টার আনোয়ার হোসেন ( মাস্টার আনোয়ার স্মৃতি সংসদ) শিক্ষা বিস্তারে ানবদ্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি নিজ পৈত্রিক সম্পত্তিতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন উত্তর সন্তোষপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় যাহা পরবর্তীতে জাতীয়করন করা হয়। সন্তোষপুর কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার জমি দাতাদের অন্যতম একজন ও ছিলেন তিনি। সন্তোষপুরের প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে মাস্টার আনোয়ার হোসেন প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন মরহুম মাস্টার আব্দুল হক সাহেবের পরম বন্ধু ও সন্তোষপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। অসুস্থ মাস্টার আব্দুল হক সাহেব চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পূর্বে তাহার পারিবারিক সম্পত্তির যাবতীয় কাগজ পত্র দলিল দস্তাবেজ ও বিদ্যালয়ের যাবতীয় কাগজপত্র সমুহ মাস্টার আনোয়ার হোসেন সাহেবের হাতে তুলে দেন এবং বলেন তুমি আমার ছোট ভাই বন্ধু হিসাবে আমার অবর্তমানে দায়িত্ব নেবে। মাস্টার আনোয়ার হোসেন এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু সমাজ সেবক মৌলভী হাসান সাহেব সেসময় উপস্থিত ছিলেন। সেই থেকে জীবনের শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করা পর্যন্ত তিনি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে ছিলেন। কোন অজুহাতে বা কারনে এক দিনের জন্যও তিনি বিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন না।

মাস্টার আনোযার হোসেন সাহেব তার এলাকার, সন্দ্বীপের বিভিন্ন প্রান্তের এমনকি হাতিয়া নোয়াখালী, কুতুবদিয়ার গরীব মেধাবী ছাত্রদেরকে নিজ দায়িত্বে স্কুলে ভর্তি করাতেন লেখাপড়া করাতেন। তাঁর ভাতিজা জসীম উদ্দিন আহমেদ কে তাাঁহার পিতা মরহুম আব্দুল মালেক কোম্পানী কাটগড় গোলাম নবী হাই স্কুলে ভর্তি করাতে চাইলেও মাস্টার আনোয়ার হোসেন এর অনুরোধে সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ে লেখাপড়া করান। সেই জসীম উদ্দিন আহমেদ এ যাবত কালের সেরা রেকর্ড ফার্স্ট স্ট্যান্ড (কমার্স ) করেন সে রেকর্ড সন্দ্বীপের আর কোন স্কুলের নাই। তাহার পরিবারের আরেক মেধাবী ছাত্র মাস্টার একেএম নুরছাফা (Akm Nur Safa ) এর ক্ষেত্রে অনুরুপ ঘটনার পূনরাবৃত্তি হতে পারতো যদি মরহুম মুন্সী নুর হোসে সাহেবের ইচ্ছামতো লেখাপড়া করানো হতো। মাস্টার একেএম নুরছাফা বিদ্যালয়ের চরম সংকটাপন্ন সময়ে সায়েন্স থেকে এসএসসি ১ম বিভাগে পাশ করে ঐ সময় স্কুলের ইজ্জত রক্ষা করেছিলেন। এভাবে অসংখ্য উদাহরণ রযেছে বলে বা লিখে শেষ করা যাবে না। মাস্টার আনোয়ার হোসেন এর কাচারী ঘর ও নিজ বসতগৃহের দক্ষিণাংশ বছরের পর বছর সন্তোষপুর হাই স্কুলের গরীব ও মেধাবী ছাত্রদের জন্য ফ্রি হোস্টেল হিসাবে চালু ছিলো। কীর্তি মানের কখনো মৃত্যু হয় না। তাহারা ইহকাল ত্যাগ করিলেও মানুষের মনে বেঁচে থাকেন আজীবন।
১৯৮৯ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে মাস্টার আনোয়রে হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। সেসময়কার প্রধান শিক্ষক মরহুম মাস্টার শফিকুল মাওলা মানিক সাহেব বিদ্যলয় ছুটি ঘোষণা করে(তখন ১৫ আগস্ট বিদ্যালয় খোলা থাকতো) শিক্ষক, কর্মচারী , অভিভাবক ও ছাত্রদের নিয়ে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। আমরা এই মহান ব্যতক্তর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। 

Tuesday, 12 April 2022

ধূমপানে চোখের মারাত্মক ক্ষতি

ধূমপানে চোখের মারাত্মক ক্ষতি: অনেকে মনে করে থাকে, ধুমপানের কারনে কেবল কিছু  ফুসফুসীয় সমস্যাই হয়। আবার অনেক ধুমপায়ী বিশ্বাসই করতে চান না, ধুমপান হৃদরোগ বা ক্যান্সারের কারন। তবে তারা মানুক বা  না মানুক এগুলো সত্য। কারন এই সিগারেটে আছে প্রায় ৬৯০ টা কার্সেনোজেনিক এজেন্ট,

Sunday, 5 July 2020

করোনার ফাকে যেন মাদক বিস্তার না করে।

‘করোনার সুযোগে
 মাদক পাচার করলে
সর্বোচ্চ শাস্তি’

করোনাকালীন সময়ের সুযোগ নিয়ে কেউ যদি মাদকপাচার, সন্ত্রাসী বা জঙ্গি কর্মকাণ্ড চালাতে চায়, তাদের কোন প্রকার ছাড় না দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির রাষ্টীয় নিশ্চয়তার বিধান রয়েছে ।
মাদক কারবারিরা সবজির ভেতরে, ফলের ৃভেতরে, মালামালের ভেতরে মাদক পরিবহন করছে।
এমন সংকটকালীন সময়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
কিছু গলাবাজ অশিক্ষিত চাটুকার গ্রাম্য কোনাকানির আঞ্চলিক দোকান গুলোতে কোন প্রকার স্বাস্থ্য বিধি না মেনে গুজব ছড়িয়ে সমাজ ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।  এদেরকে সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। এ মুহূর্তে আমাদেরকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিতে  হবে স্বাস্থ্য সচেতনতার উপর। মাদক যাতে ছড়িয়ে পরতে না পারে, তামাক ও বিশেষ করে গাঁজা সেবী বিকৃত ও সামাজিক অবক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সবাই মিলে আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে।www.anwartrust.wordpres. com

Saturday, 13 June 2020

Live with corona.

We are living with corona, living in corona. Our situation is more danger then China now.
Social distance and self cleansing along. www.anwartrust.wordpress.com

Wednesday, 14 August 2019

আজ ১৫/০৮/১৯৮৯ইং মাস্টার আনোযার হোসেন এর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী।

আজ মাস্টার আনোয়ার হোসেন এর ৩০ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৯ইং সালের ১৫ই আগস্ট ভোররাত ৪.৩০টায় বেশকিছু জটিল রোগসহ দুরারোগ্য জীবননাশী রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মাস্টার আনোয়ার হোসেন ছিলেন একজন নিখুত সমাজসেবকের জীবন্ত কিংবদন্তী।
জীবনে অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি তিনি। সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে মাস্টার আনোয়ার ছিলন একজন শক্তির আধাঁর, আশ্রয়স্থল, গরীবের সহায়। তিনি মানুষকে মানুষ হিসাবে দেখতেন, ধণী দরিদ্রের ভেদাভেদে নয়। সমাজের অসংখ্য অনিয়ম, অত্যাচার, মানুষ হয়ে মানুষের অধিকার হরণ, ব্যভিচার, মদ, জুয়া ও কুসংস্কার থেকে মুক্তির জন্য রাতদিন পরিশ্রম করে গেছেন তিনি। সেসময় তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, সমাজের পরির্তন করতে হলে শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসার অপরিহার্য।
জমিদারের সন্তান ছিলেনতিনি। নিজে ফেণী কলেজ থেকে আইএ পাশ করে বিদেশে উচ্চশিক্ষার্জনে না গিয়ে বা দেশে নিজের প্রতিষ্ঠার কথা না ভেবে তিনি সমাজ সেবায় আত্মনিযোগ করেন। তিনি সমাজের জন্য, শিক্ষার জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
পৈত্রিক সম্পত্তিতে নিজ উদ্যোগে উত্তর সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। মরহুম মাস্টার আব্দুল হক সাহেবের সন্তোষপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টিকে তাহার একান্ত বন্ধু মৌলভী মোহাম্মদ হাসান সাহেব সহ প্রতিষ্ঠা করেন@সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন দলিলিয়া মাদ্রাসা, জমিদান করেন হোসাইনিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসায়। এ মানবতার সেবকের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আমিন।

Saturday, 6 April 2019

সিদ্ধান্তটা নিতান্তই বাবার ছিলো

মধ্য সন্তোষপুর নিকটতম বিদ্যাপীঠ জেনেও দিনশেষে পড়াশুনা করতে হলো সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ে, সিদ্ধান্তটা নিতান্তই বাবার ছিলো। তখন মনটা চাইতো একা এতদুর না হেটে বন্ধু-সহপাঠিরা যেখানে সেখানেই ভালো ছিলো। আমার দিক থেকে যাই হোক বাবার দিকটা ছিলো বাবার মতই- কারন আমি তখন জানতাম না, সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে আমার বাবা মাস্টার আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। মরহুম জেঠাজী মাস্টার আব্দুল হক সাহেব প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর জুনিয়র হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন আমার বাবা ও বাবার একজন সেরা বন্ধু মরহুম মৌঃ মোঃ হাসান সাহেব, মাস্টার আব্দুল হক সাহেব মৃত্যু বরণ করলে তাঁর দুই ভাই হাইস্কুলের জন্য জমি দান করেন। আমার বাবা ও হাসান কাকা অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রতিষ্ঠা করেন সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়। হাসান কাকার অক্লান্ত পরিশ্রমের পাশাপাশি মান অভিমান ছিলো, তিনি একবার তাঁর সকল ছাত্র-ছাত্রীদের এমনকি নিজের সন্তানদেরকে ও নিয়ে মধ্য সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ে চলে গেলেও আমার বাবা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কটাকে কাজে লাগিয়ে পুনরায় তাঁকে (হাসান কাকাকে) সন্তোষপুর উচ্চবিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি ব্য়য় করেছেন বিদ্যালয়টির জন্য। ১৯৮৯ সালের ১৫ই আগস্ট এর ভোর রাতে বাবা মৃত্যুবরণ করলে সদ্য প্রয়াত মাস্টার শফিকুল মাওলা মানিক সাহেব বিদ্যালয়টি ছুটি ঘোষনা করে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যগন সহ বাবাকে শেষ দর্শন করতে এসে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন, আহাজারী করেন, শান্তনা দেন।...... বিশ্বাস করি কীর্তিমানের মৃত্যু নাই, মেনে নিই আমার ইচ্ছার বিরুদ্দে বাবা আমাকে তার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ে পড়ানোর সিদ্ধান্তটা তার অবস্থানে থেকে সঠিক ছিলো।

www.anwartrust.wordpress.comসিদ্ধান্তটা নিতান্তই বাবার ছিলো

Sunday, 19 August 2018

সেন্তোসা সিঙ্গাপুর - Sentosa Singapore.

সেন্তোসা সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি দ্বীপ রিসোর্ট, যা সড়কপথে ভিভো সিটির সাথে সংযুক্ত এবং এখানে প্রতি বছর ২০ মিলিয়ন পর্যটকের সমাগম ঘটে। ২ বর্গ মাইলের এই ছোট দ্বীপে স্থায়ী বাসিন্দা রয়েছে প্রায় ১,৬৯০ জন। এটা মূলত মনুষ্যনির্মিত দ্বীপ, যা আনন্দ ও বিনোদনের জন্য তৈরি করা হয়। সেন্তোসা দ্বীপে রয়েছে সিলোসো দুর্গ, দুটি গলফ কোর্স, দ্য মার্লিয়ন, ১৪টি হোটেল, ক্যাসিনো, ইউনিভার্সাল স্টুডিওস সিঙ্গাপুর নামক থিম পার্ক, পৃথিবীর অন্যতম জলজ প্রাণীদের সংগ্রহ ‘সিইএ অ্যাকুরিয়াম’, মাদাম তুসোর একটি শাখা, ১১০ মিটারের একটি টাওয়ার, একটি বাটারফ্লাই পার্ক এবং আরও চোখধাঁধানো অনেক কিছু।
সেন্তোসা শব্দটি মূলত মালয় ভাষার, যার অর্থ হলো ‘সন্ধি ও শান্তি'। বর্তমানে এই দ্বীপটি তার অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা ও শান্তিতে কিছু সময় কাটানোর উপযুক্ত স্থান হলেও অতীতে এর একটি কালো অধ্যায় ছিল। অতীতের বিভিন্ন সময়ে দ্বীপটিতে চলে মৃত্যুর খেলা। দ্বীপটির নাম পূর্বে ছিল ‘পুলাউ ব্লাক্যাঙ মাটি'। মালয় ভাষায় উল্লেখিত অংশটির অর্থ ‘মৃত্যুর দ্বীপ'। ইংরেজিতে দ্বীপটি ‘আইল্যান্ড অফ ডেথ ফ্রম বিহাইন্ড', ‘ডেড ব্যাক’, ‘বিহাইন্ড দ্য ডেথ’, ‘ডেড আইল্যান্ড’, ‘আইল্যান্ড অফ আফটার ডেথ' নামেও পরিচিত। এখানে ‘ব্লাক্যাঙ’ (Blakang) মানে পেছনে এবং ‘মাটি’ (Mati) মানে মৃত্যু।
দ্বীপটিকে এরকম অশুভ একটি নাম দেওয়ার কারণ হিসেবে বেশ কয়েকটি মত প্রচলিত রয়েছে। সিঙ্গাপুরের জাতীয় গ্রন্থাগার থেকে এসকল তথ্য জানা যায়।

Sentosa is an island resort located south-southeast of Singapore, which is connected to Vivo City on the road and there are 20 million tourists each year. There are about 1,690 people living on this small island of 2 square miles. It is basically a man-made island, which is made for pleasure and entertainment. The Sileso castle on the island of Sintosa, two golf courses, The Marilyn, 14 hotels, Casino, Universal Studios Singapore theme park, one of the world's aquatic creatures 'CEA Aquarium', a branch of Madame Tussaud, 110 meter tower, a butterfly park and more. A lot of eyeballs.
The word sentosa is originally Malay language, which means 'peace and peace'. At present, this island is surrounded by its beautiful beauty and has some time to spend some time in peace, but in the past there was a black section. At different times in the past, death play in the island. The name of the island was formerly 'Pulau Blakang Soil'. The name mentioned in Malay language means 'death island'. The island is also known as 'Island of Death from Behind', 'Dead Back', 'Behind the Dead', 'Dead Island', 'Island of After Death' in English. Here 'Blakang' means behind and 'Mati' means death.

There are several perspectives on the island for giving such a bad name. This information is from the National Library of Singapore.

Tuesday, 14 August 2018

নেশার হাতেখড়ি ধুমপান।

মরণনেশা মাদক আমাদের গোটা সমাজকে গ্রাস করে চলছে। এর শিকার যুব ও তরুণসমাজ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদকের বিরুদ্ধে যতোই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, ততোই অভিনব কৌশলে বাড়ছে এর ব্যবহার। মাদক সেবনের আরেক নাম মৃত্যু। যেকোনো ধরনের মাদক সেবনের অর্থই হলো নিজেকে মৃত্যুর মুখে পতিত করা। স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী-চাকরিজীবীরাও ক্রমে জড়িয়ে যাচ্ছে মাদকের মতো মরণজালে। উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরাও মাদক সেবনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। মাদকের মরণনেশায় আসক্ত হয়ে বহুমাত্রিক অপরাধ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে তারা। মাঝে মাঝে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এসব মাদকদ্রব্য আটক করলেও ঠেকানো যাচ্ছে না এগুলোর প্রবেশ। বিভিন্ন এলাকায় গডফাদারসহ বহু লোক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। দেশে যখন বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম উর্ধমুখী, তখন বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের দাম কমছে। সস্তা দামের এসব মাদকদ্রব্য সীমান্তের ওপার থেকে এদেশে প্রবেশ করছে। ধ্বংস করছে যুব সমাজকে। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, দিন যতো যাচ্ছে মাদকদ্রব্য ও মাদক গ্রহণের ধরণ পাল্টাচ্ছে। নেশাখোররা এক সময় মদ ও গাঁজা সেবন করতো। এরপর এলো হেরোইন ও ফেনসিডিল। এখন এক ধরণের জেলী, টিকটিকি ভাজা মিশ্রিত মাদক ও ইয়াবা অধিকতর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নেশাখোরদের কাছে।
ইয়াবা এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াতেও ইয়াবার থাবা বিস্তৃত হচ্ছে বলে অনেকের আশঙ্কা। সচেতন মহল মনে করেন, নেশাশক্তির সূত্রপাত হয় ধূমপান থেকে। এক পর্যায়ে অনেক ধূমপায়ী সিগারেটের ভেতর গাঁজা ঢুকিয়ে ধূমপান করতে শুরু করে। পরবর্তীকালে সে ধরে হেরোইন। এভাবে একজন ধূমপায়ী ধীরে ধীরে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় তারা শিশু কিশোর ছাত্রছাত্রীদের ধূমপান থেকে বিরত রাখার উপর জোর দিচ্ছেন। সমাজ থেকে মাদকাসক্তি নির্মুলে মাদকদ্রব্য বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসমূহের মাদক পাচার বা চোরাচালান রোধে জোরদার কর্মসূচী গ্রহণ করা জরুরি। সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করতে না পারলে মাঝে মাঝে কিছু গাঁজা, হেরোইন কিংবা ফেনসিডিলের বোতল আটক করে মাদকদ্রব্য সেবন বন্ধ করা যাবে না। দেশের তরুণ ও যুব সমাজকে নেশার নীলদংশন থেকে রক্ষা করতে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলের সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করি। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের কবল থেকে রক্ষার জন্য সবাইকে একসাথে দায়িত্ব পালন এবং মাদক ব্যবসায় জড়িতদের আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। এজন্য ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশ ও সমাজকে মাদকমুক্ত করতে হবে এবং অভিযানের আইওয়াশ বন্ধ করে মরণনেশা মাদকের এ ভয়াবহ বিস্তার রোধে প্রয়োজনে সরকারকে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
www.anwartrust.wordpress.comwww.youtube.com/anwartrust

Monday, 28 May 2018

মাদকাসক্তির মতো সর্বনাশা ছোবল দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

মাদকাসক্তির মতো সর্বনাশা ছোবল দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আজকের ও আগামী দিনের সুস্থ সুন্দর ও সুখকর সমাজের জন্যে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রোধ করতে হবে। আর তার জন্যে প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ সামাজিক প্রতিরোধ এবং জাতীয় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ। আমরা আশা করছি সময়ের ব্যবধানে এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে উপহার দেবে একটা মাদকমুক্ত সমাজ। আমরা সে প্রতীক্ষায় রইলাম।

রনি সাহস দেখিয়ে সব কলঙ্ক নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করে

রনি তো বোধ শক্তির জোড়েই পদত্যাগ করে সবাইকে শিক্ষা দিলো। তার নিজের কাছে নিজের নিষ্পাপ অনুভূতিকে জাগ্রত রেখে, নিজের ভূল বুঝতে পেরেই সে পদ থেকে সরে দাড়ায়, কিন্তু বড় অসমযে! যখন দেশ বিরোধীদের থাবায় ছাত্রলীগ আহত তখন। কৈশর থেকেই ছাত্রলীগ করতাম, স্বাধীন বাংলাদেশে আমার এলাকায় প্রথম ছাত্রলীগের কার্যক্রম এর গর্বিত অংশীদার আমি। ১৯৮৪ সালে হাইস্কুল শাখার সাধারন সম্পাদক, ৮৬ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করি।এইসএসসি নিজামপুর কলেজ, ডিগ্রী সিটি কলেজ- ্এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের হয়ে আন্দোলন করেছিলাম। ৯১ বিম্পি ক্ষমতায় এসে তাদের সবাইকে এগিয়ে নিয়ে গেলো সুযোগ সুবিধা দিলো,আমরা পেছনে পড়ে গেলাম।আইন কলেজে রাজনীতি করেছিলাম- আজকের অনেক বড় নেতাদের কোন সহযোগিতা সেদিন আমরা পাইনি, তার পর শিকার হলাম নির্দয় দলীয় গ্রুপিং এর, শিবির বরাবরই প্রতিপক্ষ ছিলো কিন্তু কোন ক্ষতি করতে পারেনি যতটুকু ক্ষতি করলো আমার দলের নেতারা, সে ক্ষত কখনো শুকানোর কোন উপায় নেই।রাজনীতিকে বাজনীতি বলতেও দ্বিধা করিনা এখন। ছাত্রলীগ বারংবার অনেক বিতর্কিত কর্মকান্ড করে সকলের মাথাকে অবণত করে রাখছে, সেখানে রনি (https://www.facebook.com/ronyctg?hc_location=ufi) নতুন এক সম্ভাবনা হযে দাড়িয়েছিলো তার স্বীয় মেধা শক্তি আর সামর্থ্য দিয়ে।চাঁদাবাজী করতে হলে কোন কোচিং সেন্টারে যাবার দরকার ছিলো না, যদি ব্যক্তিগত লেনদেন না থাকতো। চাঁদাবাজী করতে চাইলে শহরের বড় বড় ব্যবসায়ীদের তুলে নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা রনি আদায় করতে পারতো। কোচিং সেন্টারে ব্যবসার হিস্যার জন্যই রনি তার পার্টনারের গায়ে হাত তোলা ঠিক হয়নি। তাই সেটাকে সমর্থন না দিয়ে বলছি, ভালো করে ভিডিওটা দেখলে বুঝতে কষ্ট হবে না যে, এটা চাঁদাবাজী নয়, পাওনা টাকা আদায়ের ভূল কৌশল ছিলো মাত্র, আর টাকা পরিশোদে ব্যর্থতার কারন্ই তার পার্টনারের নিরবতা।
www.anwartrust.yolasite.com www.anwartrust.jigsy.com  www.anwartrust95.webs.com www.youtube.com/anwartrust রনি সাহস দেখিয়ে সব কলঙ্ক নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করে ছাত্রলীগের মর্যাদা উর্দ্ধে তুলে ধরলো। কিন্তু বাকিরা? নগরকে দোজখে পরিণত করে রেখে দাঁত কেলিযে হাসতে থাকলে রনিরা আর ফিরে আসবে না।